বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ৫০০ ব্যক্তি গত বছর সম্পদ বৃদ্ধিতে রেকর্ড করেছেন, যার পরিমাণ ২ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন বা ২ লাখ ২০ হাজার কোটি ডলার। ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেক্সের তথ্য অনুযায়ী, সম্পদ বৃদ্ধিতে এক-চতুর্থাংশ ভূমিকা রেখেছেন আট শীর্ষ ধনী। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
গত বছর শীর্ষ ৫০০ ধনীর নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলারে। ২০২৪ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পাশাপাশি ক্রিপ্টোকারেন্সি, শেয়ারবাজার ও ধাতব পণ্যের বাজার তাদের উত্থানে ভূমিকা রেখেছে।
সম্পদ বৃদ্ধিতে শীর্ষ হিস্যাধারী আট ধনীর অন্যতম ইলোন মাস্ক, জেফ বেজোস, ল্যারি এলিসন ও ল্যারি পেজ। অবশ্য ২০২৪ সালে নিট সম্পদ বৃদ্ধি আরো কেন্দ্রীভূত ছিল। তখন এ আট ধনী মোট নিট সম্পদ বৃদ্ধির ৪৩ শতাংশ দখলে রেখেছিলেন।
২০২৫ সালে ইলোন মাস্কের নিট সম্পদ ১৯ হাজার ৩০ কোটি বেড়ে ৬২ হাজার ২৭০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। ল্যারি এলিসনের নিট সম্পদ ৫ হাজার ৭৭০ কোটি বেড়ে হয়েছে ২৪ হাজার ৯৮০ কোটি ডলার। দুষ্প্রাপ্য খনিজ সম্পদের মূল্যবৃদ্ধির কারণে অস্ট্রেলিয়ার ধনী জিনা রাইনহার্টের সম্পদ প্রায় তিন গুণ বেড়ে ১ হাজার ২৬০ কোটি থেকে ৩ হাজার ৭৭০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।
কিছু ধনীর সম্পদ কমেছেও। ফিলিপাইনের ধনী মানুয়েল ভিলার গত বছর ১ হাজার ২৬০ কোটি ডলার হারিয়েছেন।
ব্লুমবার্গ বিনিয়নেয়ার্স ইনডেক্সের প্রতিক্রিয়ায় অলাভজনক সংস্থা অক্সফাম জানিয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ৫০০ ব্যক্তির ২ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার নিট সম্পদ ব্যবহার করে প্রায় ৩৮০ কোটি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করা যেত।
অক্সফামের আন্তর্জাতিক নির্বাহী পরিচালক অমিতাভ বেহার বলেন, ‘সম্পদের অসমতা একটি ইচ্ছাকৃত নীতিনির্বাচন। বৃদ্ধির রেকর্ড সত্ত্বেও সম্পদে জনগণের মালিকানা বাড়ছে না বা অনেক ক্ষেত্রে কমছে এবং ঋণচাপ বাড়ছে।’